
থ্রি হুইলার চালক মোঃ তাইজুল শেখ কে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারে পরিবারের শোঁক।
মোঃ জুয়েল খাঁন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি।
গত ২৮ ১০ ২০২৪ তারিখ আনুমানিক রাত ৯ ঘটিকার সময় ফকিরহাট থানাধীন তিন নং ৩ পিলজংগ ইউনিয়নের অন্তর্গত শ্যামবাগাত গ্রাম এর জয় জুটমিল লিমিটেডের সামনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের দুই ভাই এজাহার ভুক্ত আসামি হওয়ায় থ্রি হুইলার চালক মোঃ তাইজুল শেখ কে সন্দেহ মূলক ভাবে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলেন জানিয়েছেন তাইজুলের মা নেহারুল বেগম তিনি জানান ঘটনার দিন আমার দুই ছেলে ঘটনাস্থলে থাকলেও তাইজুল ঐদিন ঘটনার সময়ে কাটাখালি হাইওয়ে থানার রেকার ড্রাইভার এর সঙ্গে ছিল তিনি আরো বলেন আমার ছেলে হাইওয়ে থানার বিভিন্ন স্থানে এক্সিডেন্টের গাড়ি উদ্ধার করে থাকে বিষয়টির সত্যতা জানতে হাইওয়ে থানার রেকার ড্রাইভার কনস্টেবল জিয়ার সঙ্গে কথা বললেন বিষয়টি আরো পরিষ্কার হয়ে যায় কনেস্টবল জিয়া আমাদেরকে জানান ঘটনার দিন ভোর চারটা থেকে রাত দশটা বিশ মিনিট পর্যন্ত মোল্লাহাট থানা দিন মাদ্রাসা ঘাট হাইওয়ে থানায় একটি গাড়ি উদ্ধারের কাজে গেলে রেকারের একটি সমস্যা দেখা দেয় যার কারণে আমরা ওখান থেকে আনুমানিক রাত ১০টা ২০ মিনিটের সময় কাটাখালি মোড়ে এসে পৌছালে তাইজুল আমাকে বলে জিয়া ভাই আপনি থানায় চলে যান আমার ভাই নাকি হাসপাতালে আমি এখনই খুলনায় যাব এই বলে তাইজুল খুলনাতে চলে যায় কনস্টেবল জিয়া আরো জানান ঐদিন আমাদের সঙ্গে মোল্লাহাট থানার ওসি সহ হাইওয়ে থানার পেট্রোল পার্টি আমাদের সঙ্গে ছিল । কনস্টেবল জিয়া আরো বলেন তাইজুল প্রায়ই সমান আমাদের সঙ্গেই থাকেন এবং যখনই সময় পান মাইন্ড চালাতে যান তাইজুলের মামলার বিষয়ে যদি কোন সাক্ষী দেওয়া লাগে তাও কনস্টেবল জিয়া দিতে রাজি আছেন। নেহারুল বেগম আরো জানান পারিবারিক শত্রুতার কারণে আমার দুই ছেলে এজাহারভুক্ত আসামি হওয়ার কারণে আমার অপর ছেলে তাইজুলকেও পুলিশ সন্দেহ মুলকভাবে এই মামলায় আসামী করে কোর্টে সোপর্দ করেছে আমি বারবার করে পুলিশকে বলাম আমার ছেলেটা নির্দোষ পুলিশ আমার কথা শোনেনি সারাদিন কষ্ট করে এসে ছেলেটা ঘরে বসে ভাত খাচ্ছিল ঠিক তখনই পুলিশ এসে আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে যায়। মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয় যে মামলায় বর্ণিত ঘটনার সাথে জড়িত সন্দিগ্ধ গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ তাইজুল শেখ পিতা মৃত মাহবুব শেখ মাতা নেহারুল বেগম সান টাউন নোয়াপাড়া কাটাখালি হাইওয়ে থানার পিছনে থানা ফকিরহাট জেলা বাগেরহাট কে বিজ্ঞ আদালতে প্রমাণ করিয়া এই মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করিতেছি যে ফোর্সের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বাগেরহাট জেলা ফকিরহাট মডেল থানার কাটাখালি হাইওয়ে থানার সামনে পাকা রাস্তা হইতে অদ্য ইংরেজি ২/১/২০২৫ তারিখ দুপুর ২:৩৫ ঘটিকার সময় সঙ্গীও অফিসার ফোর্সের সহায়তায় গ্রেপ্তার করিয়া ফকিরহাট মডেল থানায় ইংরেজি ২/১/২০২৫ তারিখ দুপুর ৩ টা ০৫ মিনিটের সময় আনিয়া আসামিকে আমি এবং ফকিরহাট মডেল থানা অফিসার ইন চার্জ আসামিকে মামলার ঘটনা সংক্রান্ত ব্যাপক ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে উক্ত আসামী মামলার ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করে। মোঃ তাইজুল শেখের মাতা নেহারুল বেগম বিষয়টি কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন, উক্ত বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য মাদ্রাসা ঘাট হাইওয়ে এএসআই বিল্লাল কে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে বিল্লাল বলেন ২৮-১০-২০২৪ ইংরেজি তারিখ রেকার আনুমানিক ভোর রাত ৪ঃ৩০ মিনিটের সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন ঐদিন একই সময়ে একটি ডাউলের গাড়ি এবং একটি কাভার ভ্যান এক্সিডেন্টের ঘটনা ঘটে কাভার ভ্যানটি পুলিশ রেকার দিয়ে থানায় আনলে রেকরটি থানার মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায় তৎক্ষণাৎ ভাবে বাইরে থেকে অন্য আরেকটি রেকার আনিয়ে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হয় তবে মোঃ তাজুল ইসলাম আমাদের রেকারের সঙ্গে রাত আনুমানিক দশটা বিশ মিনিট পর্যন্ত ছিলেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে থানার এসআই বিল্লাল। এ ব্যাপারে রেকার ড্রাইভার কনস্টেবল জিয়া ও এএসআই বিল্লাল এর কথা অনুযায়ী মোঃ তাইজুল রেকারের সঙ্গেই ছিলেন মাদ্রাসা ঘাট হাইওয়ে থানার এএসআই বিল্লাল আরো বলেন উক্ত বিষয়টি আরো ভালোভাবে জানতে হলে মোঃ তাইজুলের ব্যবহারকৃত ফোন নাম্বারটি ট্র্যাকিংয়ে দিলে উক্ত বিষয় সবকিছুই পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে আমি মনে করি। উক্ত ঘটনার ব্যাপারে তাইজুল শেখের মা নেহারুল বেগম তার ছেলেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলছেন। নেহারুল বেগম আরো বলেন এজাহারকৃত আমার আরো দুই ছেলে এই মামলায় আসামি হয়েছে আমি জানিনা তারা প্রত্যক্ষভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিনা তবে আমার তাইজুল কখনোই এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন না তিনি দাবি করেন।