1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ| ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| শনিবার| ভোর ৫:৫০|

বরিশালে গৃহবধূকে ধর্ষণ, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক//

বরিশালে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে চারজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (২৬ অক্টোবর) বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মুহা. রকিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা দেন বলে বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান জানিয়েছেন। এ সময় দণ্ডিত তিন আসামি উপস্থিত ছিলেন ও একজন পলাতক।

দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামিরা হলেন, বরিশালের রূপাতলী ধান গবেষণা রোডের বাসিন্দা রাসেল গাজী (৪৪), বাকেরগঞ্জের আউলিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা আইয়ুব আলী খানের ছেলে খোকন খান (৩২), ধান গবেষণা রোড খেয়াঘাট এলাকার বাসিন্দা খলিল জমাদ্দারের ছেলে রাজিব জমাদ্দার (৩৪) ও একই এলাকার মোহাম্মদ আলী হাওলাদারের ছেলে জাহিদ হাওলাদার (৩৫)। রায় ঘোষণার সময় খোকন খান পলাতক ছিল।

মামলার বরাতে ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি আব্দুল মন্নান মৃধা জানান, ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে বরিশাল নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ড ধান গবেষণা রোডে এক গৃহবধূ (১৯) তার মায়ের সাথে ঝগড়া করে। তখন ওই গৃহবধূ রাগ করে অটোরিকশা উঠে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে থাকা স্বামীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

অটোরিকশাচালক তাকে ভুলপথে নগরীর ত্রিশ গোডাউন ব্রিজের ওপর নিয়ে আসে। সেখানে তাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাতপাখা বেঁধে খ্রিস্টানপাড়া এলাকায় জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে দণ্ডিত চারজনসহ অজ্ঞাত আরও ৮/১০ জন রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ভোরে অজ্ঞাত একটি বাড়ির সামনে বিবস্ত্র অবস্থায় ফেলে যায়। ওই বাড়ির অজ্ঞাত ব্যক্তিও তাকে ধর্ষণ করে। সকালে স্থানীয় কয়েক নারী ও পুরুষ তাকে পড়ে থাকতে দেখে।

তারা গৃহবধূর কথা বিশ্বাস না করে তাকে মারধর করে ফেলে চলে যায়। তখন ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা বোরখা পেয়ে সেটি পরিধান করে বাড়ির যায়। এ ঘটনায় ১১ নভেম্বর নামধারী চারজনসহ অজ্ঞাত আরও ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন ওই গৃহবধূ।

কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আতাউর রহমান ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর আদালতে চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। বিচারক ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রায় দিয়েছেন।

বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান বলেন, রায়ে করা জরিমানার অর্থ আদায় হলে ওই গৃহবধূকে দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

দণ্ডিতরা দাবি করেন, ডিএনএ রিপোর্ট ও সাক্ষী তাদের পক্ষে ছিল। তবু তাদের ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে। এজন্য কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশকে দায়ী করেছেন।

এদিকে এই রায়ে খুশি ওই নারীর মা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com