1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| সোমবার| সকাল ৭:২৪|

বাংলাদেশে ১০-১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট: গভর্নর

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ ডেস্ক//

দেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট হতো, কিন্তু বর্তমানে ব্যাংক রয়েছে ৬৪টি। অতিরিক্ত ব্যাংকের কারণে প্রশাসনিক জটিলতা ও ব্যয় বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, ‘ব্যাংকের সংখ্যা কমলে ব্যয় কমবে এবং লাভজনকতা বাড়বে। উদাহরণ হিসেবে—সিঙ্গাপুরের একটি ব্যাংকের আয় বাংলাদেশের সব ব্যাংকের সম্মিলিত আয়ের সমান।’

বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক লোকবক্তৃতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

গভর্নেন্স ব্যর্থতা ও চেক এন্ড ব্যালেন্সের অভাবে তিন লক্ষ কোটি টাকার মতো দেশ থেকে পাচার হয়েছে—মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধভাবে ব্যক্তি ও সরকারি নির্দেশে ঋণ দেওয়ার ফলে ব্যাংকের গভর্নেন্স সিস্টেম নষ্ট হয়েছে।’

গভর্নর বলেন, ‘দেশের ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো গভর্নেন্স ফেইলর। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।

এর পেছনে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবহেলা রয়েছে, যা অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমানে ব্যাংকের দুরাবস্থার কারণ হলো ব্যাংকগুলোর মালিকানা ব্যক্তিদের হাতে নিয়ন্ত্রণে ছিল।

যেমন, ইসলামী ৫টি ব্যাংক এক করা হলো। সবগুলো ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ব্যাংকগুলোতে চেক এন্ড ব্যালেন্স না থাকায় তিন লক্ষ কোটি টাকার মতো দেশ থেকে চলে গিয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘পৃথিবীতে ৪টি খাতের মধ্যে ব্যাংকিং খাত রয়েছে তৃতীয় স্থানে। তবে বাংলাদেশে এর অবস্থান প্রথম। ফলে বাংলাদেশে অন্যান্য আর্থিক খাত ক্ষতির অবস্থানে রয়েছে।

এখন আমাদের ভালো অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। এতে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হবে। ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে অন্যান্য খাতগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে।’

এসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘একটা ধ্বংস প্রাপ্ত খাতকে এগিয়ে নিয়ে গেছে আমাদের বর্তমান গর্ভনর। অর্থের সাথে আমাদের সম্পর্ক নিবীড়। সবাই জানে—অর্থই অনর্থের মূল।

সেটা আমরা কিছুদিন লক্ষ্য করলাম। সেই অনর্থ কোথায় এসে ঠেকেছিল—শিক্ষার্থীরা সবাইকে সাথে নিয়ে সেই অবস্থা থেকে আমাদের রক্ষা করেছে। ব্যাংকিং খাত ধ্বংস হয়ে গেছিলো।

আমরা বুঝতে পারছি এই খাতটা কতটা নাজুক পর্যায়ে আছে। বিভিন্ন কলাকৌশলে এটাকে ঠিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যে উন্নয়নের ইতিবাচক ধারা এসছে সেটা অব্যহত থাকবে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।’

উপস্থিত ছিলেন- অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ্ এবং সদস্যসচিব ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com