
আন্তর্জাতিক ডেস্ক//
হামাসকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তাদেরকে তিনি ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। বলেছেন, এর মধ্যে দু’জন মার্কিনি সহ নিহত সব জিম্মির মৃতদেহ এ সময়ের মধ্যে ফেরত দিতে হবে। শনিবার তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে খুব শক্তিশালী শান্তি টিকিয়ে রাখার বিষয়টি এই সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জিও নিউজ।
নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষায় যুক্ত বেশ কয়েকটি দেশ পদক্ষেপ নিতে পারে, যদি হামাস এই নির্দেশ মানতে ব্যর্থ হয়। তিনি লিখেছেন, কিছু মৃতদেহ পৌঁছানো কঠিন হলেও, অন্যগুলো তারা এখনই ফেরত দিতে পারে। দুই পক্ষের প্রতি ন্যায্য আচরণ কেবল তখনই প্রযোজ্য, যদি তারা নিজেদের দায়িত্ব পালন করে।
অন্য এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, যুদ্ধবিরতির পর ওই অঞ্চলকে স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনে কাতার গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠাতে ইচ্ছুক, যা বর্তমানে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ।
ওদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শনিবার এশিয়া সফরে যাওয়ার পথে যাত্রাবিরতির সময় গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখার জন্য কাতারের আমির ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে অবতরণের পর কাতারের দুই নেতা এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সামরিক সদর দপ্তর ও হাজারো মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।
ট্রাম্প বলেন, এই দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি তার মতে ‘বিশ্বের বন্ধু’। তিনি বলেন, আমরা মধ্যপ্রাচ্যে অবিশ্বাস্য এক শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছি। আর এতে তারা বিশাল ভূমিকা রেখেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-ও কাতারি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।