সংবাদ ডেস্ক//
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে তালা ঝুলিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রনেতাসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জবি কেন্দ্রীয় মসজিদে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। গেটে শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশনামূলক লিফলেট দেখা যায়।
প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান আকাশ বলেন, ‘মসজিদ ফাঁকা পড়ে আছে কিন্তু সেখানে শিক্ষার্থীদের ঢুকতে না দিয়ে তালা মেরে রাখা হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে হল নেই। গেস্টরুম নেই।
বিশ্রামের জায়গা নেই। হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন ভোরের আঁধার ভেঙে ঢাকার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পাড়ি দিয়ে আসে শুধু পড়াশোনার জন্য। পরীক্ষা ১১টায় থাকলেও আসতে হয় ভোর ৬টায়। ক্লান্ত শরীর, খালি পেট, ঘুমহীন চোখ নিয়ে তারা একটু মাথা রাখার জায়গা খোঁজে।
এ বিষয়ে জবি ছাত্র অধিকারের সভাপতি একেএম রাকিব বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্দেশে সকালে মসজিদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত মোটেও যৌক্তিক নয়। ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আরো অনেক কার্যকর উপায় রয়েছে সেগুলোর দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আগে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’
এ বিষয়ে জকসুর ভিপি রিয়াজুল বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য মহোদয়ের থেকে সরাসরি নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র মসজিদটিও যদি সার্বক্ষণিক বন্ধ রাখা হয়, তবে তা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়।
আমরা ইতোমধ্যে উপাচার্যের সঙ্গে যোগযোগ করার চেষ্টা করেছি। তিনি জোহর নামাজের পর মসজিদের ইমাম সাহেবসহ আমাদের তার দপ্তরে ডেকেছেন।