মাসুদ আহমেদ//
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব নারায়ণ চন্দ্রনাথের ছেলের এইচএসসি পরীক্ষার ফল জালিয়াতির মামলায় চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।
গত ১৮ আগস্ট পাঁচলাইশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম সফিউল আজম মুন্সী চার্জশিটটি দাখিল করেন। অভিযোগপত্রভুক্ত চার আসামি হলেন—সাবেক সচিব নারায়ণ চন্দ্রনাথ, তাঁর ছেলে নক্ষত্র দেবনাথ, বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুস্তফা কামরুল আখতার এবং সাবেক সিস্টেম অ্যানালিস্ট কিবরিয়া মাসুদ খান। মামলায় মোট ১১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
ফলাফল পরিবর্তনের বিবরণ: তদন্তে জব্দ করা উত্তরপত্র ও নম্বর ফর্দ পর্যালোচনায় দেখা যায়, নক্ষত্র দেবনাথের ১৪টি উত্তরপত্রে ২ থেকে ২৪ নম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে তার ফল ‘এ প্লাস’ (জিপিএ-৫) করা হয়:
বাংলা ১ম পত্র: রচনামূলকে ৩১ থেকে বাড়িয়ে ৪১ এবং নৈর্ব্যক্তিকে ২৪-এর সাথে ২ যোগ করা হয়।
ইংরেজি ১ম ও ২য় পত্র: ১ম পত্রের রচনামূলকে ৭০ থেকে ৯০ এবং ২য় পত্রে ৫৭-এর সাথে ২৪ যোগ করে ৮১ দেখানো হয়। পদার্থবিজ্ঞান: ১ম পত্রের রচনামূলকে ৩৪-এর সাথে ৮ এবং ২য় পত্রের নৈর্ব্যক্তিকে ২০ থেকে বাড়িয়ে ২২ করা হয়।
রসায়ন ও জীববিজ্ঞান: রসায়ন ১ম পত্রের রচনামূলকে ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৪০ ও নৈর্ব্যক্তিকে ৩ নম্বর এবং ২য় পত্রের নৈর্ব্যক্তিকে ৪ নম্বর বাড়ানো হয়। এছাড়া জীববিজ্ঞান ১ম পত্রের রচনামূলকে ১০ নম্বর বাড়িয়ে ৩৯ করা হয়।
তদন্ত অনুসারে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে নারায়ণ চন্দ্রনাথ সাবেক সিস্টেম অ্যানালিস্ট কিবরিয়া মাসুদ খানের সহযোগিতায় এই জালিয়াতি করেন। বিনিময়ে অবসরকালীন ছুটিতে থাকা কিবরিয়াকে দৈনিক ২ হাজার টাকা ভাতায় ২০২৪ সালের ফলাফল প্রস্তুতের কাজে যুক্ত করা হয়েছিল। ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর ফল প্রকাশের পর এই জালিয়াতির বিষয়টি সামন