বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সেকশন অফিসার ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
প্রকৃত তথ্য যাচাই না করে একটি কুচক্রী মহলের সরবরাহ করা মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবাদকারীদের দাবি, ফরিদ আহমেদ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের মঙ্গলসী গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফরিদ আহমেদের স্ত্রী একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। দুই সন্তানের জনক ফরিদ আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী-উভয়ের চাকরিজীবী আয়ের ভিত্তিতে নগরীর আলেকান্দা সড়কে তিন শতক জমির ওপর একটি চারতলা ভবন নির্মাণ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। ভবনটি বৈধ আয় ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্মিত হয়েছে বলেও তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এদিকে, বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফরিদ আহমেদ। তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে চাকরি করে আসছি। আমার সততা ও পারিবারিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।