স্পোর্টস ডেস্ক//
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছে ভারত। সুর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন রবিবার আহমেদাবাদে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হারে।
প্রথমে ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে, যেখানে ডেভিড মিলার ৬৩ রান এবং ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ঝড়ো ৪৫ রান করেন। ভারতের হয়ে জসপ্রিত বুমরাহ ৩টি উইকেট নেন। জবাবে ভারত কখনোই রান চেজে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি এবং মাত্র ১১১ রানে অলআউট হয়, যেখানে মার্কো ইয়ানসেন ৪ উইকেট নেন।
এই হারের ফলে ভারতের এখন বাকি দুটি ম্যাচ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জেতা ছাড়া সেমিফাইনালে খেলার নিশ্চয়তা নেই। এক ম্যাচ জিতলে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ায় নির্ভর করবে অন্য দলের ফলাফল এবং নেট রান রেটের (এনআরআর) ওপর। তবে দুই ম্যাচ জিতলেও শঙ্কা থেকে যেতে পারে।
পরিস্থিতি ১ – ভারত বাকি দুটি ম্যাচই জেতে
যদি ভারত দুটি ম্যাচই জেতে, তারা ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট অর্জন করবে। সাধারণত এটি সেমিফাইনালে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট, যদি না দুইটি অন্যান্য দলও ৪ পয়েন্ট অর্জন করে।
এমন পরিস্থিতি ঘটতে পারে যদি দক্ষিণ আফ্রিকা বাকি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি জেতে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচের বিজেতা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায়। সেই ক্ষেত্রে ভারতের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে হবে নেট রান রেটের উপর নির্ভর করে।
পরিস্থিতি ২ – ভারত মাত্র একটি ম্যাচ জেতে
যদি ভারত মাত্র একটি ম্যাচ জেতে, তখন দক্ষিণ আফ্রিকাকে সব ম্যাচ জেতা আবশ্যক হবে। সেই সঙ্গে ভারতের জয় অবশ্যই ওয়েস্ট ইন্ডিজ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচের বিজেতার বিরুদ্ধে হতে হবে।
এতে ভারত, জিম্বাবুয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রত্যেকে ২ পয়েন্টে থাকবে এবং ভারতের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করতে হবে নেট রান রেটের উপর।
বাকি ম্যাচের সূচি
ফেব্রুয়ারি ২৩: ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম জিম্বাবুয়ে (মুম্বাই)
ফেব্রুয়ারি ২৬: দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (আহমেদাবাদ)
ফেব্রুয়ারি ২৬: ভারত বনাম জিম্বাবুয়ে (চেন্নাই)
মার্চ ১: দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম জিম্বাবুয়ে (দিল্লি)
মার্চ ১: ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (কলকাতা)