
সুনিল সরকার, পটুয়াখালী//
পটুয়াখালীর পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলিন বিলিন হয়ে গেছে সদর উপজেলার ১নং চান্দখালী গ্রাম এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৫নং পিপড়াখালী গ্রামের বাজারসহ সহাস্্রাধিক বসতবাড়ি ও শি¶া প্রতিষ্ঠান।
পটুয়াখালীর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী জেলায় বন্যা নিয়ন্ত্র বেড়িবাঁধ রয়েছে ১ হাজার ৩৩৫ কিমি:।এর মধ্যে পাউবোর অধীনে ৮২২ কিলোমিটার।
এসব উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলার চান্দখালী এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলার পিঁপরাখালী এলাকার বেড়িবাঁধের অবস্থা নাজুক ও বিপদজনক অবস্থায়। ইতোমধ্যে বেড়িবাঁধটি তিন দফা পরিবর্তন করেও শেষ রক্ষা হয়নি।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা, বাজার, রাস্তাঘাট ও অসংখ্য গাছ পালা, ঘড় বাড়ি ফসলী জমি নদীর গর্ভে চলে গেছে। অধিকাংশই নদীর তীরবর্তী মানুষ ঘর বাড়ি স্থানান্তর করে বেঁচে থাকার জন্য অন্যত্র আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছে।
আগ্রাসী নদী ভাঙনের দিশেহারা হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। তারা এখন ত্রান চায় না চায় স্থায়ী বেড়িবধ। তাই আশ্বাস নয় স্থায়ী সমাধানের দাবী স্থানীয় ভুক্তভোগীদের।
যে সকল যায়গায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানপনা আছে অথবা বেড়িবাধ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে , আমরা বর্তমানে ভাঙ্গোন রোধে অস্থায়ী ভাবে কাজ করছি, তবে খুব শীগ্রই ভাঙ্গোন রোধে স্থায়ী ভাবে সমাধানের কথা জানালেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা
মো: রাকিব, নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, পটুয়াখালী।
পটুয়াখালীতে মোট ১হাজার তিনশ’ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে আংশিক ¶তিগ্রস্থ ২২ কিমি. বাকি ৬ কি. মিটার বেড়িবাঁধ পুরো ¶তিগ্রস্থ রয়েছে।