1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
১২ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ| ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| শুক্রবার| সকাল ৬:৫৬|

পটুয়াখালীতে মা ইলিশ রক্ষায় ৫ স্তরের নিরাপত্তা

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক//

পটুয়াখালীর দশমিনায় মা ইলিশ সংরক্ষণে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি ড্রোন ক্যামেরা। উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর, নৌপুলিশ ফাঁড়ি, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে চলছে কঠোর অভিযান।

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে নদীপথে নজরদারি চালানো হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার তৃতীয় দিনে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে নজরদারি করতে দেখা যায় প্রশাসনকে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া, ঢনঢনিয়া, কেদিরহাট, হাজিরহাট, গোলখালী, কাটাখালী, সৈয়দ জফর, কালারানী, সোবাহানবাজার, আউলিয়াপুর, চরঘূর্ণি, পাতারচর, দক্ষিণ রনগোপলদী, চরহাদী, চরবোরহান ও শহজালাল জুরোসহ প্রায় ৮ কিলোমিটার নদীপথে এ ড্রোন নজরদারি চলছে।

এরমধ্যে চার কিলোমিটার এলাকাকে রাখা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষণে। ড্রোনের কার্যকর ব্যবহারে ইতোমধ্যে অসাধু জেলেরা নদীতে নামতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। গত তিন দিনে ড্রোন নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে ১৫টি বেহুন্দি জাল এবং ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।

স্থানীয় মৎস্যজীবী সান্টু ও সাইদুল বলেন, নদীর ওপরে প্লেনের মতো কিছু উড়তে দেখে পরে জানতে পারি ওটা ড্রোন। প্রশাসনের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা নিজেরাও মা ইলিশ রক্ষায় সচেতন।

বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মিরাজ বলেন, প্রশাসনের এ উদ্যোগে নদীতে এখন শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। সকাল, দুপুর ও বিকেলে ড্রোনের উড়াউড়ি আমাদেরও সচেতন করছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পরাভেজ জানান, এ বছর আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। দিনে হাজিরহাট এলাকায় একাধিক টিম অবস্থান করবে এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চলবে। কোনো জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতিজা হাসান বলেন, মা ইলিশ দেশের সম্পদ। এ সম্পদ রক্ষায় প্রযুক্তিগত সহায়তায় আমরা এবার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। রাতের বেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নদীতে টহল দেবে, আর দিনের বেলায় ড্রোনের মাধ্যমে অবৈধ জেলেদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com