1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
১৪ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ| ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| দুপুর ১:৩৯|

পর্যটকদের পদভারে মুখরিত সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

ছগির হোসেন,কলাপাড়া//

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে দুই দিনের সরকারি ছুটিসহ সাপ্তাহিক ছুটি যোগ হয়ে
টানা চার দিনের ছুটিতে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায়। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট, গঙ্গামতি, ঝাউবাগান, লেম্বুরচর ও বৌদ্ধবিহারসহ বিভিন্ন স্পটে পর্যটকের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পর্যটকদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় রয়েছে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও নৌ-পুলিশ।

টানা চার দিনের ছুটির প্রথম দিনে পর্যটকদের পদভারে মুখরিত হয়ে কানায় কানায় ভরে গেছে সাগরকন্যা খ্যাত সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। পর্যটকরা সাগরে নেমে গোসলে মেতে উঠে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন একে অন্যের সাথে। আবার কেউ প্রকৃতির লীলা উপভোগ করছেন, কেউ আবার কেনা কাটায় ব্যস্ত। সামনের ছুটির দিনগুলোতেও পর্যটকদের আগমন ঘটবে এই কুয়াকাটায়।

মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা পর্যটক আতিক রহমান বলেন, কোথায় সহজে ঘুরতে যাওয়া হয় না। চার দিনের ছুটি পেয়ে এই সুযোগে স্বপরিবারে কুাকাটায় বেড়াতে আসছি। এখানকার পরিবেশ নিরাপত্তা খুবই ভালো। লেম্বুর চর গঙ্গামতি স্পট ভালো লেগেছে বলে পুরায় বেড়াতে আসবেন বলে জানান এই পর্যটক পরিবার।

বরগুনা থেকে আসা দর্শনার্থী আবু জাফর সালেহ বলেন, আমরা সকল বন্ধুরা আজ সকালে আসছি, সন্ধ্যায় ফিরে যাবো। শুক্রবার আবার আসবো। কুয়াকাটা আমাদের কাছে সবদিক থেকে ভালো লাগে। তাই বারবার আসতে ইচ্ছা করে।

পর্যটকদের আগমন উপলক্ষে অধিকাংশ হোটেল মোটেল গুলো প্রায় শতভাগ বুকিং রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান বর্ষার মধ্যে পর্যটকদের আনাগোনা না থাকায় বেচা বিক্রি কম হয়েছে। এবারের লম্বা ছুটির কারণে লোকসান কাটিয়ে ওঠতে পারবে বলে আশা করেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

ঝিনুক ব্যবসায়ী মো: রাকিব হোসেন বলেন, বৃষ্টির মধ্যেও দোকান খোলা রাখছি কিন্ত কোন বিক্রি ছিল না। চার দিন পূজার বন্ধে ব্যাপক পর্যটক আসতে শুরু করেছে। এই বন্ধে বেচা বিক্রি করে কিছুটা লাভের মুখ দেখার সম্ভাবনা আছে বলে মনে হয়।

হোটেল সি কুইনের মালিক মো: জাহাঙ্গীর হোসেন হাওলাদার বলেন, বন্ধের চারদিনই বুকিং আছে। দীর্ঘদিন ধরে পর্যটকের তেমন দেখা নাই বললেই চলে। এই বন্ধে কিছু আয় হবে বলে ধারনা করেন।

কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েসন এর সভাপতি আব্দুল মোতালেব শরিফ জানান, বর্ষা বৃষ্টির মধ্যে পর্যটকদের তেমন আনাগোনা ছিল না। সামান্য কিছু সংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতি থাকলেও লোকসান গুনতে হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক হোটেলগুলোতে। দূর্গাপূজার ছুটিসহ চার দিনের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানান পেশার মানুষ কুয়াকাটায় বেড়াতে এসেছে। পর্যটকরা এখানে নিরাপদে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘোরাফেরা করতে পারছে। কোনো অপ্রিতিকর ঘটনার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। তবে অধিকাংশ আবাসিক হোটেলগুলোতে শতভাগ বুকিং রয়েছে। এই ছুটির সুবাদে বিগত দিনের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে ওঠা যাবে।

ট্যুরিষ্ট পুলিশের কুয়াকাটা রিজিওনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ছুটি পেয়ে পর্যটকরা এখানে আসতে শুরু করেছে। আগামীকাল থেকে আরো বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী। পর্যটকরা যাতে কোন ধরনের অসুবিধায় না পরে এজন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা মোকাবেলা করতে প্রস্তত আছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com