1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| সন্ধ্যা ৬:৫৭|

পাকিস্তানে সংলাপে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় শান্তি আলোচনা শুরু করতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় আলোচনার বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আলোচনার জন্য জেডি ভ্যান্স পাকিস্তান যাচ্ছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন দফা আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে যাবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রতিনিধিরা সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন। এর কিছুক্ষণ পর হোয়াইট হাউস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন যে, এই প্রতিনিধিদলে ট্রাম্পের উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারও থাকবেন। তাঁরা আগের দফার আলোচনাতেও উপস্থিত ছিলেন। তেহরান এখনো আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় ইরানি কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নেবেন না। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ‘এ মুহূর্তে…পরবর্তী দফা আলোচনার কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই এবং এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি।’

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবে না তেহরান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিচ্ছে না।

এর ফল কখনো ভালো হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বাঘাই বলেন, ১০ দফা প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছিল এবং তা ইসলামাবাদে আলোচিত হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার আগে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মুখপাত্র বলেন, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীর কাছে ইরান তার অবস্থান স্পষ্ট করেছিল। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তির কোনো অংশ ছিল না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ আরোপ করেছে।

পাশাপাশি একটি ইরানি জাহাজে হামলা চালিয়েছে, যা যুদ্ধবিরতি এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।তিনি আরো বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুইবার আলোচনা ও সমঝোতা লঙ্ঘন করেছে, ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং ইরানি জনগণকে হত্যা করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com