
যুবদল নেতার বিরুদ্ধে কুয়াকাটায় সংবাদ সম্মেলন
কেএম খাইরুল ইসলাম সংগ্রাম
কুয়াকাটা থেকে )
পটুয়াখালীর মহিপুর থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আক্কাসের বিরুদ্ধে ধান লুট করে নেওয়ার অভিযোগ এনে কুয়াকাটায় সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুর ১ ঘটিকায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন লুমা রাখাইন। তিনি কুয়াকাটা শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের সহ – সভাপতি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য লুমা রাখাইন বলেন,গত মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ ঘটিকায় আক্কাস আলীর নেতৃত্বে তার ছেলে রাব্বি হাওলাদার, ফিরোজ, জাফর, কাদের, জলিল মোল্লা সহ প্রায় ৩০-৩৫ জন আমার চাষ করা পুরো ৭.১৮ একর সম্পত্তির প্রায়২৫০ মন ধান লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়াও আমার ভাইকে কু পরামর্শ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ২০২২ সালে মিথ্যা দেওয়ানি মামলা দায়ের করে। সেখানে সন্ত্রাসী বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী আক্কাস কে বিবাদী করে যাতে তারা উভয় মিলে আমার সম্পত্তি দখল করিতে পারে।এটা নিয়ে কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে। সন্ত্রাসী এই নেতার বিরুদ্ধে কুয়াকাটা পৌর বিএনপি ও লতাচাপরি বিএনপি’র সিনিয়র নেতাদের কাছে জানালে তারা কাগজপত্র দেখে আক্কাসকে জমির কাছে যেতা নিষেধ করে,এরপরও তিনি আমার ধান লুট করে নেয়। তাকে যে নিষেধ করা হয়েছে জামাতের কুয়াকাটা পৌর আমির মাওলানা মাইনুল ইসলাম মান্নান, লতাচাপলী বিএনপি’র সভাপতি মহিউদ্দিন মুসল্লি সুলতান, ও আলাউদ্দিন মুসল্লি সহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা যাহার সাক্ষী রয়েছেন।
যুবদলের এই নেতাকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তিনি আরো বলেন, আমরা খুবই আতঙ্কে রয়েছি। ধান লুট করে নেওয়ার সময় আমরা কেউ সামনে যেতে পারেনি তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদেরকে হুমকি দিয়েছে। আমি একজন সংখ্যালঘু এবং এই এলাকার পর্যটন শিল্পে আমার অনেক ভূমিকা রয়েছে। তাই আপনাদের মাধ্যমে আমি আমার সঠিক বিচার দাবি করছি।
তবে এ বিষয়টি অস্বীকার করে বিএনপি নেতা আলী আক্কাস বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা আমার বিরুদ্ধে বিএনপির লোকজন ষড়যন্ত্র করছে। আমরা কখনো এই সম্পত্তি ভোগদখল করিনি। আর ধান লুটের বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।
এবিষয়ে মহিপুর থানা যুবদলের আহব্বায়ক মো. সিদ্দিক মোল্লা বলেন, আমি বিষয়টি এখনো অজানা। এলাকায় ছিলাম না আসতেছি, তবে এই অভিযোগ যদি সত্যি হয় তা হলে সাংগঠনিকভাবে আমরা সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিবো কারন সন্ত্রাস বা লুট কারীদের জায়গা দলে নেই।