1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| শীতকাল| বৃহস্পতিবার| দুপুর ১২:২৭|

ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে জার্মান সরকার

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা দখলের যুদ্ধে ইসরায়েল ব্যবহার করতে পারে—এমন কোনো অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি আপাতত বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে জার্মান সরকার।

সিডিইউ/সিএসইউ ও এসপিডি জোট সরকারের প্রধান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্সের এই সিদ্ধান্তে তার দল ও জোটের সহযোগী সিএসইউতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার জার্মান সরকারের পক্ষ থেকে এমন সিদ্ধান্ত জানানোর পর শনিবার জোট সরকারের প্রধান ফ্রেডরিখ মার্সের দল সিডিইউর নিরাপত্তাবিষয়ক মুখপাত্র রোডেরিখ কিজেভেটার এ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি এই পদক্ষেপকে জার্মানির গুরুতর রাজনৈতিক ও কৌশলগত ভুল বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার অভিযোগ, সরকার ইহুদিবিদ্বেষী চাপ ও হামাসের প্রোপাগান্ডায় প্রভাবিত হচ্ছে।

অন্যদিকে ক্রিশ্চিয়ান সোশালিস্ট ইউনিয়ন ( সিএসইউ) নেতারা বলছেন, তাদের মতামত না নিয়েই সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির সংসদীয় গ্রুপপ্রধান আলেকজান্ডার হফমান একে দশকের পর দশক ধরে চলা ইসরায়েল নীতির পরিবর্তন বলে বর্ণনা করেছেন।

প্রবীণ নেতা হর্স্ট জেহোফার সতর্ক করেছেন, এটি দীর্ঘস্থায়ী পররাষ্ট্রনীতির ভুল হবে।

নিজের দল ও জোটের শরীকদের এমন প্রতিক্রিয়ায় চ্যান্সেলর মার্স দাবি করেছেন, অস্ত্র রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তটি কেবল সেইসব অস্ত্রের ওপর প্রযোজ্য, যা সরাসরি গাজায় যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে।

ইসরায়েলের আত্মরক্ষায় প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, যেমন আকাশ ও নৌ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এতে অন্তর্ভুক্ত নয় বলে জানান তিনি।

ইসরায়েল গত সপ্তাহে গাজা সিটি দখলসহ সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের ঘোষণা দেয়। এর পরপরই জার্মানি অস্ত্র সরবরাহের নীতি বদল করে। অথচ ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর দেশটি ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানির পরিমাণের অনুমোদন বাড়িয়েছিল। গত দুই বছরে অনুমোদিত রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি ইউরো।

বর্তমান জোট সরকারের গূরুত্বপূর্ণ শরিক সোশ্যালিস্ট ডেমোক্রেটিক পার্টি সরকারের এমন সিদ্ধান্তে সমর্থন ও ইসরায়েলের প্রতি আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

দলের নেতা ও বর্তমান উপ–চ্যান্সেলর লার্স ক্লিংবেইল বলেন, ইসরায়েলের প্রতি আমাদের পূর্ণ সংহতি থাকলেও ভুল তাদের কাজের সমালোচনা করতে হবে।

তবে এসপিডির পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞ আদিস আহমেতোভিচ ইসরায়েলের প্রতি আরও কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। তিনি ইইউ ও ইসরায়েল বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত ও ইসরায়েলি মন্ত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির আহ্বান জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com