1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
১৪ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ| ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| দুপুর ১:২৯|

চিকিৎসকের প্রেমে জড়িয়ে স্বামীকে তালাক, নারীর আত্মহত্যা

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক//

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় চিকিৎসকের পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে নিজের স্বামীকে তালাক দিয়েছেন সুমি আক্তার নামের এক নারী। অবশেষে ওই চিকিৎসকের প্রতারনার বিষয়টি ধরা পড়ায় বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে পরকীয়া প্রেমিকা সুমি আক্তার।

শনিবার (২২ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মাসুদ পারভেজ আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত থাকলেও ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপন করেছেন। আত্মহত্যা করা সুমি আক্তার হাসপাতালের পাশ্ববর্তী সিকদার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করতেন।

জানা গেছে, মেডিক্যাল অফিসার ডা. মাসুদ পারভেজ হাসপাতালে পাশের সিকদার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে যেতেন।

তখন সিকদার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সুমি আক্তারের সাথে ডা. মাসুদ পারভেজের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে ডা. মাসুদ পারভেজের সাথে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সুমি সময় কাটিয়েছেন।

একপর্যায়ে চিকিৎসক মাসুদ পারভেজের প্ররোচনায় সুমি তার স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য হন। এরপর সুমিকে নিয়ে ওই চিকিৎসক বরিশালে বসবাস শুরু করেন।

সম্প্রতি সুমি জানতে পারেন ডা. মাসুদ পারভেজ তার সাথে প্রতারণা করেছে। এ কারণে সুমি আক্তার ডা. মাসুদ পারভেজকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষপানে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে একটি পোষ্ট করেন।

পরবর্তীতে সুমি বিষপান করলে তাকে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর শনিবার (২২ নভেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমি আক্তারের মৃত্যু হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুমির মৃত্যুর পর ডা. মাসুদ পারভেজ তার কর্মস্থল থেকে আত্মগোপন করে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ রাখায় কোনধরনের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোর্শেদ সজিব জানিয়েছেন, সুমি আক্তার ডা. মাসুদ পারভেজের কারণে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে বলে লোকমুখে শুনেছি।

এ ঘটনায় মৃতের পরিবারের সদস্যরা আমার কাছে কোন সহযোগিতা চাইলে তাদের সব ধরনের আইনী সহায়তা করা হবে।

আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন- এ ঘটনায় এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com