1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| রাত ৩:০৭|

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ ডেস্ক//

মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী থাকায় নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকি না নিয়ে আগের মতোই সংকোচনমুখী ধারার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতে নীতি সুদ হিসেবে পরিচিত রেপো রেট ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ফলে ব্যাংক ঋণের সুদও আগামী জুন পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা নেই।

শুধু রেপো হার নয়, সুদের হার করিডরের অন্যান্য সূচকেও বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। স্ট্যান্ডিং ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটির (এসএলএফ) ঊর্ধ্বসীমা আগের মতো ১১ দশমিক ৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

আর স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটির (এসডিএফ) নিম্নসীমা ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। তবে সুদের হার না কমালেও বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।

আজ সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। এ সময় ডেপুটি গভর্নর, প্রধান অর্থনীতিবিদ, উপদেষ্টা, নির্বাহী পরিচালকসহ মুদ্রানীতি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য মুদ্রানীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখে জিডিপির প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখাও মুদ্রানীতির অন্যতম কাজ। এসব বিষয় মাথায় রেখে চলতি অর্থবছরের শেষ ছয় মাসের মুদ্রানীতির কাঠামো চূড়ান্ত করা হয়। গত ২৭ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এটি অনুমোদন করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষ্য, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তবে নির্বাচনের পর ব্যবসা বানিজ্য ও বিনিয়োগে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিবেচনায় বেসরকারি ঋণপ্রবাহ বাড়ানো হয়েছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পান ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর আওয়ামী লীগ আমলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তিন দফায় নীতি সুদহার বাড়ানোর ঘোষণা দেন।

সেই সঙ্গে বৈদেশিক বিনিময় হারে স্থিতিশীলতা আনতে নতুন নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এতে মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হওয়ার পাশাপাশি বিনিময় হারেও আসে স্থিতিশীলতা।

আবার ডলার সংকট কেটে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ফিরেছে স্বস্তি। তবে মূল্যস্ফীতি এখনো কাঙ্ক্ষিত মাত্রার ওপরে থাকায় আগের মতোই কড়াকড়ি বহাল রাখার ঘোষণা এসেছে নতুন মুদ্রানীতিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com