1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| রাত ২:০১|

বরিশালে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক//

বরিশালে এক সপ্তাহ ধরে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। এর পাশাপাশি অন্যান্য সবজি ও মাছের দামেও হতাশ ক্রেতারা। পূজার ছুটিতে পোর্টগুলো বন্ধ থাকায় সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন পাইকাররা। এখন পোর্ট খোলায় দাম দুই একদিনের মধ্যে স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

সোমবার (৬ অক্টোবর) বরিশালের একমাত্র পাইকারি সবজির বাজার, পোর্ট রোড বাজার, বাংলাবাজার বাজার, সাগরদী বাজারসহ বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগম লম্বা ৩৫-৪০ টাকা, বেগুন গোল ৫৫-৬০ টাকা, শসা ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৪৫-৫০ টাকা, করলা ৫০-৫৫ টাকা, টমেটো ইন্ডিয়ান ১২০ টাকা, গাজর ইন্ডিয়ান ১০০ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪৫-৫০ টাকা, লাউ আকার ভেদে ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা ২০ টাকা ও লেবুর হালি ১৫-২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে ২০-৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি কাঁচামরিচ কেজি ৩৫০-৪০০ টাকা, বেগম লম্বা ৫৫-৬০ টাকা, বেগুন গোল ৭০-৮০ টাকা, শসা ৪৫ টাকা, বরবটি ৫৫-৬০ টাকা, করল্লা ৬০ টাকা, টমেটো ইন্ডিয়ান ১৫০ টাকা, গাজর ইন্ডিয়ান ১৩০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, লাউ আকার ভেদে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা ৩০-৪০ টাকা ও লেবুর হালি ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা দরে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকায় এর প্রভাব পড়েছে অন্যান্য মাছের দামে। রুই মাছ ৩০০-৪৫০ টাকা, টেংরা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, ঘেরের তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা, পাঙাশ মাছ ২০০-২৮০ টাকা, চিংড়ি প্রকারভেদে ৫৫০-৮৫০ টাকা, পাবদা ২৫০-৪০০ টাকা ও মাঝারি ভেটকি ৪০০ টাকা।

বাংলাবাজারে আসা শহিদুল বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সবজির বাজারে আগুন। কোনো সবজির দাম ৮০-১০০ টাকার নিচে নেই। যে কোনো উৎসব-পার্বণ হলে সব জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। মাছের গায়ে তো হাত দেয়াই যায় না।

বাজার করতে গিয়ে জিনিসপত্রের দাম নিয়ে একই কথা বলেন সবুজ হাওলাদার ও খাইরুল ইসলাম। তারা বলেন, বেশ‌কিছু দিন ধরে সবজি ও মাছের বাজার অস্থির। ১ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে গেলে ৫ জনের সংসারে এখন একদিনের বাজার করা যায় না।

দুই ধরনের সবজি কিনতে ৩০০-৩৫০ টাকা চলে যায়। অন্যান্য জিনিসপত্র কিনতে হিমশিম খেতে হয়। বাজারের এ দুরবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এ দিকে সরকারের দ্রুত নজর দেওয়া উচিত।

বরিশালে সবজির পাইকারি বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেটের দুলাল বাণিজ্যালয়ের প্রোপাইটর মো. আমিন শুভ জানান, পূজার ছুটির কারণে সবজির সরবরাহ কম থাকায় এ সপ্তাহে দামের ওপর প্রভাব পড়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে আবার বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

তবে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেশি। খুচরা ব্যবসায়ীরা নানান খরচের দোহাই দিয়ে আরও বেশি দামে বিক্রি করছে। কারণ তারা পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া, খুচরা বাজারে বিক্রির ইজারা ও বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তাই খুচরা বাজারে সবজি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com