1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
২২শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| শীতকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ১০:০৭|

মার্শালের অঙ্গীকার বিপিএলকে পরিচ্ছন্ন রাখার

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

ক্রীড়া ডেস্ক//

দরজায় কড়া নাড়ছে বিপিএল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে মাঠে গড়াবে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। এবারের টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে ছয় দল। ইতোমধ্যে বিপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে গত আসরে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার চূড়ান্ত নিলামে জায়গা পাননি। তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ বিপিএলকেও পরিচ্ছন্ন রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল।

গতকাল তিনি বলেন, ‘কিছু লোক আছে, যারা বিপিএলের সাম্প্রতিক সংস্করণগুলোতে দুর্নীতি দমন আইন লঙ্ঘন করে পার পেয়ে গেছে। সেই লোকেরা এই ইভেন্টটিকে টার্গেট করবে।

আমি এবং আমার দল আইসিসির সহায়তায়, সেই লোকদের ছেঁটে ফেলার এবং তাদের এটি করা থেকে বিরত রাখতে অনেক পদক্ষেপ নিচ্ছি। এবং কিছু লোক এখন থেকে বিপিএলে কিছু অপ্রীতিকর চমক দেখাবে।’

বিপিএলের গত আসরে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটির কয়েক দফা তদন্ত ও মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বেশ কজন ক্রিকেটারের ফিক্সিংয়ে যুক্ত থাকার তথ্য মেলে।

তাদের ‘রেড ফ্ল্যাগ জোনে’ রাখা হয়েছে। এ কারণেই চূড়ান্ত নিলামের তালিকা থেকে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। অ্যালেক্স মার্শাল জানান, ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তারা পেশাদারত্ব ও গোপনীয়তার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন। তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘গত মাসে বিপিএল ফিক্সিং তদন্তের স্বাধীন কমিটির কাছ থেকে ৯০০ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছি। সেখানে ৬০ জন সাক্ষী এবং অভিযুক্তের নাম ছিল।

আমি আমার নতুন ইন্টিগ্রিটি ইউনিটকে নিয়ে সেই রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করছি। পুরো ইন্টিগ্রিটি ইউনিটটাই বিসিবির মধ্য থেকে নতুন করে গঠন করা হয়েছে। এখানে আমার দুটি মূলনীতি থাকবে- পেশাদারত্ব এবং গোপনীয়তা।’

সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রেখে তদন্ত চলছে জানিয়ে মার্শাল বলেন, ‘অতীতে দেখা গেছে, সন্দেহভাজনদের সঙ্গে কী কথা হচ্ছে সব গণমাধ্যমে চলে আসত।

সাংবাদিকরা তো এসব খবর বের করতে চাইবেই। তবে আমার জন্য এসব ভীষণ গোপন এবং নতুন ইউনিট প্রথম কয়েক সপ্তাহে সবকিছু দারুণভাবে করেছে, গণমাধ্যমের সংস্পর্শে আসেনি কিছুই।’

এবারের বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং ক্রিকেটারদের কঠোর নিয়মের মধ্যে আনার হুশিয়ারি দিয়ে মার্শাল বলেন, ‘পিএমও এরিয়াতে (প্লেয়ার ও ম্যাচ অফিশিয়াল এরিয়া) কোনো ধরনের মোবাইল ফোন এবং স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করা যাবে না।

যে মুহূর্তে মাঠে ঢুকবে খেলোয়াড় এবং টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা, সেই থেকে ম্যাচের শেষ বল পর্যন্ত কেউ কোনো ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না। ডাক্তার, টিম ম্যানেজার এবং মিডিয়া ম্যানেজাররা নিজেদের জরুরি প্রয়োজনে ফোন ব্যবহার করতে পারবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ পিএমওএ এক্রিডিটেশন পাওয়া ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে তিনি যত শক্তিশালী এবং ক্ষমতাবান ব্যক্তিই হোক না কেন।

পিএমওএ এক্রিডিটেশন পাওয়া কেউ যদি ভেতরে থেকে বাইরে যোগাযোগের চেষ্টা করে, তাৎক্ষণিকভাবে তার এক্রিডিটেশন বাতিল করা হবে।’

মার্শাল মনে করেন, বিপিএল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ‘সেরা ক্রিকেটারদের বিপিএলে আকৃষ্ট করা উচিত। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দেরও উন্নত করা উচিত, যারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শীর্ষ পর্যায়ে খেলবে। আমার ভাবনা এমনটিই।

আমি যখন কাজ করি, অনুভব করি বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের জন্য কাজ করছি। তারাই আমার কাস্টমার। যারা উঁচুমানের, স্বচ্ছ টুর্নামেন্ট চান।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com