
সুনিল সরকার,পটুয়াখালী//
পটুয়াখালী জেলা প্রানিসম্পদ দপ্তর আয়োজনে সদর উপজেলা প্রানিসম্পদ কার্যালয়ের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালী শুরু করে এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় প্রানিসম্পদ কার্যালয়ের সামনে এসে র্যালী শেষ করে।
র্যালী শেষে হ্যাচারিসহ আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার প্রশিক্ষন কক্ষে দিবসের প্রতিপাদ্য “দুগ্ধ উৎপাদনে নারী খামারী,উন্নয়নের অগ্রযাত্রা” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. হাবিবুর রহমান।
পটুয়াখালী সদর উপজেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. আতিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও সদর ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ শেখ আরিফুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় পাওয়ার পয়েন্ট প্রজেন্টারের মাধ্যমে বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য এবং দুধের উপকারিতা- গুনাগুন ও দুগ্ধ উৎপাদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে উপস্থাপন করেন দশমিনা উপজেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ শুভেন্দু সরকার।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রতিপাদ্যের উপর আলোচনা করেন জেলা ভেটেরিনারি অফিসার ডাঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস। আরও বক্তব্য রাখেন কৃত্রিম প্রজনন টেকনিশিয়ান মো. মনির ও ল্যাবরেটরিস লিঃ প্রতিনিধি বখতিয়ার আহমেদ।
বক্তারা বলেন, দুধ যেমন পুষ্টিকর খাদ্য, তেমনি আর্থসামাজিক উন্নয়নে এবং জাতীয় অর্থকরি সম্পদ। দেশে প্রানিসম্পদ এখন স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, এ বছর ভারতের গরু ছাড়াই পটুয়াখালী জেলায় কুরবানির চাহিদ পূরন হয়েছে।
জেলায় যে পরিমান পশু আছে তাতে জেলায় আরও একটি কুরবানি সম্ভব। দুগ্ধ উৎপাদনে নারীদের ভূমিকা রয়েছে, তাদেরকে দুগ্ধ উৎপাদনে আরও বেশী করে সম্পৃক্ত করার জন্য সচেতন করতে হবে।
র্যালী ও আলোচনা সভায় প্রানিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি অফিসারগন, কৃত্রিম প্রজনন টেকনিশিয়ান, ল্যাবরেটরিস প্রতিনিধি ও দুগ্ধ খামারিগন উপস্থিত ছিলেন।