
ছগির হোসেন, কলাপাড়া//
গাছের ডালপালা সীমানা অতিক্রম ও মিথ্যা মামলা দেয়ায় তিক্ততা হয়ে স্বপরিবার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়ত সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী আবদুল হক ঘরামী।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হক ঘরামী লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, আমি একজন রাজমিস্ত্রী। আমার কষ্টার্জিত অর্থ দ্বারা কলাপাড়া উপজেলাধীন ৪০ নং জে.এল নবীপুর মৌজায় বিগত ০৫ বছর পূর্বে জনৈক মো. শাহআলম হাওলাদারের কাছ থেকে (এক) ০.১০ শতাংশ জমি ক্রয় করি।
পরবর্তীতে বাড়ী-ঘর, বাগান-পুকুর নির্মান করিয়া পরিবার পরিজন নিয়া শান্তিপূর্ন ভাবে ভোগ দখল করিয়া আসছি। আমার প্রতিবেশী মোসা. রুমানা বেগম, স্বামী মো. ফরিদ উদ্দিন, দুবাই প্রবাসী।
ওই প্রতিবেশী পরে একই দাগ খতিয়ানে (তেত্রিশ) ০-৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করিয়া বাড়ী-ঘর নির্মান করেন। আমাদের মধ্যে জমা জমি নিয়া কোন বিরোধ নাই। আমি অর্থ নৈতিকভাবে দূর্বল, অপরদিকে মোসা. রুমানা বেগম অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বি।
আমার জমি কম থাকার কারণে রুমানা বেগম আমার সীমানা প্রাচীরের মধ্যে কাঠের কাছ রোপন করে। উক্ত গাছগুলো আকারে বড় হইয়া যাওয়ায় ডাল-পালায় আমার বাড়ী-ঘর, পুকুরের ক্ষতি হয়।
এ বিষয় প্রতিবেশী রুমানা বেগমকে অবগত করিলে, আমার সহিত গায়ে পড়িয়া ঝগড়া ফ্যাসাদ সৃস্টি করে। এই নিয়া আমার সহিত বাক-বিতর্ক হইলে, রুমানা বেগম অর্থের বিনিময় আওয়াম লীগ আমলে বখাটে ছেলেদের আনিয়া আমাকে হেনস্তা করে। সেই থেকে আমাকে মিথ্যা-মিথ্যি ভাবে বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা দিয়া হয়রানী করিয়া আসিতেছি।
আবদুল হক ঘরামী আরো উল্লেখ করেন যে, তিনি বাড়ী ঘর করার পর হইতে রুমানা বেগম তাহার বিরুদ্ধে ৩টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে এবং তাহার কষ্ট অর্জিত প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। বর্তমানে সে নিরুপায় হয়ে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ ও রাজনৈতিক নেতাদের সুদৃস্টি কামনা করেন।
এসময় উপজেলা প্রসক্লাবের সভাপতি মো. কবির তালুকদারসহ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সাধারন সদস্যসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপাস্থিত ছিলেন।