1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad

কাস্টমসের ১১ কর্মকর্তা কারাগারে দুর্নীতির মামলায়

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ ডেস্ক//

সাড়ে ১৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং ও প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।আসামিরা স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দিয়েছেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির ও মবিন উল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার মো. জয়নাল আবেদীন, রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, রাজস্ব কর্মকর্তা এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার ও মো. মঞ্জুরুল হক, সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার ও বাসুদেব পালক।

এ বিষয়ে দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমির বলেন, ‘এই ১১ আসামি উচ্চ আদালত থেকে অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়ে গত ১৬ এপ্রিল তারা আত্মসমর্পণ করেন।

ওইদিন আদালত তাদের ১২ জুলাই পর্যন্ত জামিন দেন। সে অনুযায়ী রোববার তারা স্থায়ী জামিন চেয়ে আবেদন করে। দুদকের পক্ষে আমরা বিরোধিতা করি। শুনানি শেষে আদালত জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

পাঁচ দেশে রপ্তানির নামে সাড়ে ১৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং ও প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর এই মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আহসান উদ্দিন।

মামলার বিবরণে বলা হয়— আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা ও সিঙ্গাপুরে পণ্য রফতানি দেখিয়ে দো এম্পেক্স লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যাংক জমা হয়। শুধু তাই নয় ৩৪টি রফতানি চালানের মূল্যবাবদ প্রণোদনা হিসাবে প্রায় ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ হয়েছে।

অথচ বাস্তবে কোনো রফতানি হয়নি। ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে দো এম্পেক্স লিমিটেডের মোট ৪১টি বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল করে সরকারের প্রণোদনা গ্রহণ করে।

যার মধ্যে ৭ বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কৃষি জাতীয় পণ্য রপ্তানির সত্যতা পাওয়া গেলেও ৩৪টি বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কোনো পণ্যই বিদেশে রফতানি হয়নি।

অথচ পণ্য রফতানির বিপরীতে অগ্রিম হিসাবে পুরো অর্থ ২২ লাখ ১৮ হাজার ১৭.৪৪ মার্কিন ডলার অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে প্রত্যাবাসন হয়েছে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ১৮ কোটি ৬০ লাখ ৯১ হাজার ৪০৪ টাকা। রপ্তানি দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার টাকা নগদ প্রণোদনা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করেছেন আসামিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com