1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| রাত ৪:২৯|

গাজীপুরে ৫ খুনে: সেই ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মায়

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ ডেস্ক//

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লার মরদেহ মুন্সীগঞ্জের পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াস।

পুলিশ জানিয়েছে, পদ্মা সেতু থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে লৌহজং উপজেলা ভূমি অফিসসংলগ্ন পদ্মা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা নৌ-পুলিশকে খবর দেয়। পরে নৌ-পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহীনুর আলম জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি আলোচিত পাঁচ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লার বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে কাপাসিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জুবায়ের আহমেদকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, মরদেহের পরনে থাকা কালো প্যান্ট ও সাদা শার্ট দেখে ফোরকানের ভাই আব্দুল জব্বার সেটিকে শনাক্ত করেছেন। তবে ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ওসি আরও জানান, সুরতহাল শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন বলেছিলেন, ফোরকান মোল্লা পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে পুলিশের ধারণা।

ঘটনাস্থলে থাকা কাপাসিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর তদন্ত) জুবায়ের আহমেদ জানান, আপাতত প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ফোরকান মোল্লার। তবে ডিএনএ টেস্ট ছাড়া পুরোপুরি নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ফোরকানকে গ্রেপ্তারে তিনটি বিশেষ টিম মাঠে নামে। একটি দল গোপালগঞ্জে তার গ্রামের বাড়িতে এবং আরেকটি দল বেনাপোলে অভিযান চালায়, যাতে তিনি সীমান্ত পেরিয়ে যেতে না পারেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গত সোমবার (১১ মে) মেহেরপুরে এক বাস হেলপারের কাছ থেকে ফোরকানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ওই হেলপার জানান, তিনি মোবাইলটি পদ্মা সেতুর ওপর থেকে পেয়েছেন।

পরে পুলিশ পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজে দেখা যায়, একটি প্রাইভেটকার থেকে এক ব্যক্তি নেমে প্রথমে মোবাইল ফোনটি ফুটপাতে রেখে দেন। এরপর কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে রেলিং টপকে নদীতে ঝাঁপ দেন।

ভিডিওটি নিহত শারমিনের বাবা, ফোরকানের ভাই জব্বারসহ স্বজনদের দেখানো হলে তারা ধারণা করেন, ফুটেজের ব্যক্তিটি ফোরকানই হতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com