
সংবাদ ডেস্ক//
আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
একই সঙ্গে বিশেষ অধিবেশন ডেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেও জানান তিনি। আজ শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য নয়।
কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি- এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় থাকায় বিশেষ অধিবেশন ডাকার প্রয়োজন হবে না। কে রাষ্ট্রপতি হবেন, এটি সময় বলে দেবে।
তিনি বলেন, আগামী কেবিনেটে ১৩৩ টি অধ্যাদেশ ও গুম প্রতিরোধবিষয়ক অধ্যাদেশের বিষয়টি উঠবে, সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে আশা করেন আইনমন্ত্রী।
এ সময় মন্ত্রী জানান, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যেকোনো রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে কাজ করছে সরকার। তবে রাজনৈতিক হলেও কোনো ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার করা হবে না।
বর্তমানে এক্সট্রা কিলিং শূন্যের কোটায় জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘যত বড় রাজনৈতিক নেতাই হোক না কেন, ধর্ষণের মামলা প্রত্যাহার করা হবে না।’
উল্লেখ্য, মো.সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকবেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।