
মিঠু আহম্মেদ, বরিশাল//
সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে রোগীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার, ভুল ও ধীরগতির রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা খরচে স্বচ্ছতার অভাব— এই তিনটি কারণে দেশের হাজারো রোগী প্রতিবেশী দেশ ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন। সরেজমিনে বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে এবং ভুক্তভোগী রোগীদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্রই উঠে এসেছে।
১. চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার:
অনেক রোগীর অভিযোগ, দেশের বেশিরভাগ হাসপাতালে চিকিৎসকরা রোগীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন না। মাত্র ২-৩ মিনিটে রোগী দেখা, অসৌজন্যমূলক আচরণ ও অবহেলার কারণে রোগীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। একজন ভুক্তভোগী বলেন, “ডাক্তার সাহেব আমার কথাই শুনলেন না, প্রেসক্রিপশন লিখে বিদায় করে দিলেন।”
২. ভুল ও ধীরগতির রোগ নির্ণয়:
আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার অভাব এবং ভুল ডায়াগনোসিসের কারণে অনেক রোগীর রোগ জটিল হয়ে যাচ্ছে। দেশে একটি রোগের জন্য একাধিকবার পরীক্ষা করিয়েও সঠিক ফল না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অথচ ভারত ও থাইল্যান্ডে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় করা হয় বলে রোগীদের আস্থা বেশি।
৩. চিকিৎসা খরচে অনিশ্চয়তা:
দেশের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা খরচের কোনো নির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। অতিরিক্ত টেস্ট, অপ্রয়োজনীয় ওষুধ ও সেবায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। রোগীদের দাবি, প্রায় একই খরচে বা কিছু বেশি খরচে ভারতে তারা আরও উন্নত ও আন্তরিক সেবা পাচ্ছেন।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগীদের আস্থা ফেরাতে হলে চিকিৎসকদের রোগীবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করতে হবে, হাসপাতালগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং চিকিৎসা ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
অন্যথায় মেডিকেল ট্যুরিজমের নামে দেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে যাবে এবং দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি মানুষের অনাস্থা আরও বাড়বে।শিরোনাম: দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা, ভারত-থাইল্যান্ডে ছুটছেন রোগীরাসাব-টাইটেল: চিকিৎসকের আচরণ, ভুল রোগ নির্ণয় ও অতিরিক্ত খরচের অভিযোগে বিদেশমুখী হচ্ছেন রোগীরাবিশ্লেষণ |
দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে রোগীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার, ভুল ও ধীরগতির রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা খরচে স্বচ্ছতার অভাব— এই তিনটি কারণে দেশের হাজারো রোগী প্রতিবেশী দেশ ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন। সরেজমিনে বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে এবং ভুক্তভোগী রোগীদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্রই উঠে এসেছে।
১. চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার:
অনেক রোগীর অভিযোগ, দেশের বেশিরভাগ হাসপাতালে চিকিৎসকরা রোগীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন না। মাত্র ২-৩ মিনিটে রোগী দেখা, অসৌজন্যমূলক আচরণ ও অবহেলার কারণে রোগীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। একজন ভুক্তভোগী বলেন, “ডাক্তার সাহেব আমার কথাই শুনলেন না, প্রেসক্রিপশন লিখে বিদায় করে দিলেন।”
২. ভুল ও ধীরগতির রোগ নির্ণয়:
আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার অভাব এবং ভুল ডায়াগনোসিসের কারণে অনেক রোগীর রোগ জটিল হয়ে যাচ্ছে। দেশে একটি রোগের জন্য একাধিকবার পরীক্ষা করিয়েও সঠিক ফল না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অথচ ভারত ও থাইল্যান্ডে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় করা হয় বলে রোগীদের আস্থা বেশি।
৩. চিকিৎসা খরচে অনিশ্চয়তা:
দেশের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা খরচের কোনো নির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। অতিরিক্ত টেস্ট, অপ্রয়োজনীয় ওষুধ ও সেবায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। রোগীদের দাবি, প্রায় একই খরচে বা কিছু বেশি খরচে ভারতে তারা আরও উন্নত ও আন্তরিক সেবা পাচ্ছেন।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগীদের আস্থা ফেরাতে হলে চিকিৎসকদের রোগীবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করতে হবে, হাসপাতালগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং চিকিৎসা ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
অন্যথায় মেডিকেল ট্যুরিজমের নামে দেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে যাবে এবং দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি মানুষের অনাস্থা আরও বাড়বে।আমার যথেষ্ট সম্মান রয়েছে, আশা করি তারা বিষয়টি অনুধাবন করতে পারবেন।’