1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| দুপুর ১২:২৮|

কলাপাড়ায় বিক্ষোভের মুখে উচ্ছেদ থেকে আপাতত রক্ষা পেল ভূমিহীন ১৩৬ পরিবার

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৪১৪ বার পড়া হয়েছে

ছগির হোসেন পটুয়াখালী থেকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিক্ষোভের মুখে ভূমিহীন ১৩৬ পরিবারের উচ্ছেদ প্রক্রিয়া বন্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টায় টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া বেড়িবাঁধের ঢালে বসবাসকারী জিয়া কলোনীসহ এসব পরিবারের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করতে স্কেভেটর (ভেকু) নিয়ে আসে পায়রা বন্দরের ঠিকাদারের লোকজন। এ সময় ‘আগে পুনর্বাসন পরে উচ্ছেদ’- এমন বিক্ষোভের মুখে ঠিকাদারের লোকজন ফিরে যায়। কোন ধরনের পুনর্বাসন কিংবা ক্ষতিপুরন না দিয়েই এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। দরিদ্র এসব পরিবারের সবাই জেলে, শ্রমিকসহ শ্রমজীবীর কাজ করেন। কোন পূর্ব নোটিশ ছাড়াই শুক্রবার উচ্ছেদ করতে আসে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। বিক্ষোভ শেষে বক্তব্য রাখেন ইব্রাহীম শিকারী, ফোরকান হাওলাদার, নূর হোসেন, আনোয়ার মিয়া, মনির হাওলাদার, হাসি বেগম।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম জানান, জিয়া কলোনি সংলগ্ন ১৩৬ পরিবার উচ্ছেদ করে রাস্তা নির্মাণে উপজেলা প্রশাসন, কিংবা উপজেলা ভূমি অফিস কোনো নির্দেশনা দেয়নি। ১৩৬ পরিবারের থাকার জায়গা নিশ্চিত না করে কোনো উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে না মর্মে ইতোপূর্বে উপজেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল থেকে বন্দর প্রশাসনিক গেট হয়ে ফোরলেন সড়কের সঙ্গে যুক্ত করতে বালিয়াতলী সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু পর্যন্ত বেড়িবাঁধ প্রশস্থকরনের কাজ করার প্রকল্প হাতে নেয়। ফলে এ বেড়িবাঁধের ¯েøাপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহনকৃত জমিতে ২০ বছরেরও বেশি সময় বসবাসরত দরিদ্র ১৩৬টি পরিবারকে আবাসন হারাতে হচ্ছে। এদের দাবি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৪০০ পরিবারকে ক্ষতিপুরন ছাড়াও পুনর্বাসন করেছে। সেখানে আমরা কেন ক্ষতিপুরন কিংবা পুনর্বাসন কোনটাই পাচ্ছি না। তার পুনর্বাসনের দাবি জানান। এছাড়া পায়রা বন্দরের দক্ষিণ পাশ দিয়ে আন্ধারমানিক নদীতে ফোরলেন সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ওই সেতুর সঙ্গে প্রথম টার্মিনালের সঙ্গে স্থায়ী যোগাযোগ প্রক্রিয়ার মাস্টার প্লান বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। সেখানে কেন আবার বালিয়াতলী পর্যন্ত এই বেড়িবাঁধটি প্রশস্তকরন করা হচ্ছে। এমন প্রশ্ন করেন বাসীন্দারা। তারা বেড়িবাঁধ মেরামতের পক্ষে। কিন্তু প্রশস্থকরন দরকার নেই। কারণ বন্দরের ফেরলেন সেতুর নির্মাণ শেষ হলে এই সড়কটি অব্যবহৃত থাকবে।
##

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com