1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad

সাংবাদিক আনিস আলমগীর পাঁচ দিনের রিমান্ডে

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৫৪ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ ডেস্ক//

উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধ আইনের মামলায় সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান।

এ দিন ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি হবে। উত্তরা পশ্চিম থানার প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির ২ নম্বরের একটি জিম থেকে বের হওয়ার পর তাকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

পাশাপাশি গত রাতে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ চার জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলাটি দায়ের করেন জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ। মামলার অপর আসামিরা হলেন– মারিয়া কিসপট্টা (ফ্যাশন মডেল) ও ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজের (উপস্থাপক)।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার অনুসারীরা বিভিন্ন কৌশলে ঘাপটি মেরে দেশে অবস্থান করে দেশকে অস্থিতিশীল ও অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র করে আসছে।

আসামিরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোতে বসে নিষিদ্ধ সংগঠনকে ফিরিয়ে আনার প্রপাগান্ডা চালিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পাঁয়তারা করছে।

এসব বিভিন্ন পোস্টের ফলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা অনুপ্রাণিত হয়ে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মামলার বাদী ঘটনার বিষয়ে তার পরিচিতজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও তাদের অনলাইনে বিভিন্ন মন্তব্যের লিংক সংগ্রহ করে মামলাটির অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর তদন্ত কর্মকর্তা এ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।

সময় স্বল্পতার কারণে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি। গ্রেফতার আসামির সহযোগী অন্যান্য পলাতক আসামির নাম-ঠিকানা সংগ্রহ, তাকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচলনা এবং জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামির তথ্য সংগ্রহের জন্য তার সাত দিনের রিমান্ড একান্ত প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com