1. admin@banglarsangbadprotidin.com : admin :
  2. banglarsangbadprotidin@gmail.com : banglar sangbad : banglar sangbad
২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| দুপুর ১:৪৬|

টোল আদায় নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চিকনিকান্দি হাটের টোল আদায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শিপলু খান ও কেন্দ্রীয় এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধই এদিন রূপ নেয় সংঘর্ষে।চিকনিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান লিমনের অভিযোগ, শিপলু খানের অনুসারী যুবদল নেতা মুকুল প্যাদা অবৈধভাবে হাটের টোল আদায়ের একটি ইজারা নিয়েছিলেন। উপজেলা প্রশাসন তা বাতিল করলেও তিনি সাদা কাগজে চুক্তি দেখিয়ে জোরপূর্বক আদায় শুরু করেন। আমরা বাধা দিলে আমাদের ওপর হামলা হয় এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

শিপলুপন্থি যুবদল নেতা মুকুল প্যাদা দাবি করেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের মৌখিক অনুমতি নিয়েই আমরা টোল আদায় শুরু করি। কিন্তু লিমন নেতৃত্বাধীন একটি দল এসে বাধা দেয় এবং আমাদের সঙ্গে থাকা তহশিলদার আলতাফ হোসেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের পরপরই গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাসিম রেজা এবং ওসি আশাদুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় তারা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘হাটটির কোনো ইজারা হয়নি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তহশিলদার খাস আদায় করছেন। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক পক্ষকে এই দায়িত্ব দিলে স্বাভাবিকভাবেই বিরোধ দেখা দেবে। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন নেতাদের অবহিত করেছি।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নাসিম রেজা বলেন, চিকনিকান্দি হাটের টোল খাস আদায়ের আওতায় রয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিরোধের কারণে কিছু সময়ের জন্য বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।প্রশাসনের সহযোগিতায় বর্তমানে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আছে। স্থানীয়রা অনেকেই অভিযোগ করেছে এখানে ককটেল ফাটানো হয়েছিল। বিষয়টি ওসি সাহেব তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ককটেল বিস্ফোরণ বিষয়ে জানতে চাইলে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলেই ছিলাম আমরা উভয়পক্ষকে নিভৃত করার চেষ্টা করেছি তবে স্থানীয়রা যেটিকে ককটেল বলছে সেটি ককটেল ছিল না। কয়েকজন উত্তেজিত ব্যক্তি পটকা ফাটিয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি, তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় তৎপর রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014 banglarsangbadprotidin.com